প্রকৃত ভ্রমণ শুরুর আগেই শুরু হয় অন্য পরিভ্রমণপর্ব। যার মূল উদ্দেশ্য ভ্রমণের পাথেয় জোগাড়। কী অকপট ভঙ্গিতে লেখক সে-সবের বর্ণনা দিয়ে যান। যেন তিনি এক নৈর্ব্যক্তিক দৃষ্টি দিয়েই দেখছেন নিজেকে। এই নৈর্ব্যক্তিকতার ছোঁয়া বইটির প্রতি পাতায়। সেইসঙ্গে মাঝেমাঝেই নস্ট্যালজিক-অনুষঙ্গ। শহর
ঝরে পরে অসংখ্য সব চাওয়া আর একান্ত কিছু পাওয়ার গল্প। বাঁচা নামক এই আকস্মিকের খেলার মধ্যেই অতীত এসে ছায়া ফেলে
সে স্বপ্ন পূরণ হয়নি আজও। এদেশের প্রবীণ নাগরিকের স্মৃতিতে রয়েছে এমনই এক বিপ্লবের সম্ভাবনাময় দিনের ছবি। গত শতাব্দীর চারের দশকে দেশজুড়ে যে বিপ্লবের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল
বিদ্যাসাগর সর্বাগ্রগণ্য। এমনকি তাঁর স্থান রবীন্দ্রনাথেরও ওপরে। রবীন্দ্রনাথ বিশ্বকবি
নিজেদের মতো করে। তাদের আলাপচারিতায় পরতে পরতে উন্মোচিত হতে থাকে নানা অজানা তথ্য এবং এই সমুদ্র দানবীর মায়াজালে জড়ানো আশ্চর্য সব কাহিনি।
গোপনীয় কোজাগরী অনসূয়া রায়চৌধুরী প্রকৃত ভ্রমণ শুরুর আগেই শুরুGoponio Kojagori 64 ' ? ? ? ? , , , , , , , , , , , , , ,